পাঠ পরিকল্পনা

পাঠদান পদ্ধতি

শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফল নির্ভর করে সঠিক দিক-নির্দেশনা, সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উপর। এজন্যেই অত্র স্কুল/কলেজের শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলের জন্য আধুনিক ও যুগোপযোগী পদ্ধতিতে শ্রেণীকক্ষে পাঠদান করা হয়।

 

পাঠ্যক্রম বিন্যাস

  • পাঠ্যসূচীর সাথে সমন্বয় করে একটি শিক্ষাবর্ষকে দুইটি টার্মে ভাগ করা হয়েছে।

  • প্রতি ছয় মাসে একটি করে টার্ম অনুষ্ঠিত হয় এবং একটি টার্মের আগে দুইটি মাসিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

  • Lesson Plan অনুযায়ী শ্রেণীকক্ষে পাঠদান, শ্রেণীর কাজ করানো ও বাড়ির কাজ দেয়া হয়।

  • প্রতি টার্মে বন্টনকৃত সিলেবাস শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের মাধ্যমে সঠিক সময়ে শেষ করা হয়।

  • প্রত্যেক পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে বাসায় অভিভাবকদের নিকট প্রেরণ করা হয় এবং অভিভাবকের স্বাক্ষরের পর তা ফেরত নেয়া হয়।

  • মাসিক পরীক্ষার ফলাফল ডায়রীর মাধ্যমে অভিভাবকদের অবহিত করা হয়।

  • ইংরেজী বিষয়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। Spoken English ক্লাসের জন্য রয়েছে বিশেষজ্ঞ শিক্ষক।

  • প্রয়োজনে স্কুল/কলেজ ছুটির পর দুর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ ক্লাস ও যত্ন নেয়া হয়।

  • সকল পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের গড় করে চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুত করা হয়।

  • প্রতি টার্ম পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল অভিভাবক সভায় উপস্থাপন করা হয় এবং রিপোর্ট কার্ড আকারে অভিভাবককে অবহিত করা হয়।

  • এ প্রতিষ্ঠানের নিয়মানুযায়ী কোন ছাত্র-ছাত্রী সাংবাৎসরিক ফলাফলে P.A.- 3.5 পেলে তাকে পরবর্তী শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করা হয়। অকৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীকে পরবর্তী শ্রেণীতে কোন অবস্থাতেই উত্তীর্ণ করা হয় না। অকৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রী ইচ্ছা করলে একই শ্রেণীতে সর্বোচ্চ দুই বছর অধ্যয়ন করার সুযোগ পাবে। তবে তার পরবর্তী বছরও অকৃতকার্য হলে ছাড়পত্র দিয়ে বাধ্যতামূলক বাদ দেয়া হয়। এ ব্যাপারে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।